সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং। ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১০:০৯








প্রচ্ছদ » রাজনীতি

সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য যে ছক কষেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট!

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সবাই প্রস্তুত, সবাই যার যার মত করে যাচ্ছে বিভিন্ন জনসভা এবং কর্মসূচি। আজ প্রথমবারের মত জনসভা করেছে নতুন দল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

জাতীয় নির্বাচনের আগেই তারা সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং সংসদ বাতিলের মতো দাবি নিয়ে আন্দোলনে যাচ্ছে।
যদিও ঐক্যফ্রন্টের সাত দফার প্রধান দাবিগুলোই সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উড়িয়ে দিয়ে ক্ষমতাসীনরা। তবে সরকার বিরোধী নতুন জোট নেতারা বলছেন তীব্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দাবি মানতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

নির্বাচনকালীন ব্যবস্থা এবং আন্দোলন দমনে ক্ষমতাসীনদের কঠোর অবস্থানের মধ্যে এই জোট কিভাবে দাবি আদায় করবে সেটি এখন বড় প্রশ্ন।
ঐক্যফ্রন্টের শরিকদল নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জনগণকে নিয়ে ধাপে ধাপে তাদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দাবি আদায় করা হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণকে সংগঠিত করেই দাবি আদায় করবো। এর জন্য আন্দোলনের যতগুলো কর্মসূচী হতে পারে সেগুলো অবরোধ থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যতো রকম কর্মসূচী আছে সবগুলো পালন করবো আমরা।’

বিভিন্ন কর্মসূচী দিয়ে ধাপে ধাপে আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়ার কথা জানাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট। মিস্টার মান্নার দাবি তাদের মূল শক্তি হচ্ছে দেশের আপামর জনগণ। তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের শক্তি বলেই আমরা বলছি যে জনগণকে সাথে নিয়েই সেই ধরনের একটা অভ্যুত্থান হবে। অভ্যুত্থান মানে তো জনঅভ্যুত্থান। জনগণ সাথে আসলে অভ্যুত্থান হবে না কেন?’

জোটের সবচেয়ে বড় দল বিএনপির সিনিয়র নেতা মওদুদ আহমদ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে প্রথম পর্যায়ে জনমত সৃষ্টির জন্য সারাদেশে সভা সমাবেশ হবে। বড় শহরে যাবার জন্য সড়ক পথে শত শত গাড়ি নিয়ে তারা যাত্রা করবেন।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘গণ বিস্ফোরণ হবে। মাঠে ময়দানে মানুষের জোয়ার উঠে যাবে। এখন যদি সরকার সেটি করতে না দেয়, বাঁধা দেয় সেটা তো সংঘাতের দিকে নিয়ে যাবে। তারা যদি সশস্ত্র বাঁধা দেয়, তার পরিণতি নির্মম হবে। সেখানে তো আর গণতন্ত্র থাকবে না।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জোট হলেও তাদের মূল শক্তির জায়গা বিএনপি এবং তাদের সমর্থক। প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে বিবিসি বাংলা।

ওই প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয় সরকার বিরোধী এ জোটের নেতা হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেনকে। ঐক্যফ্রন্ট নেতৃত্বের ইমেজ কাজে লাগিয়ে একদিকে দেশে জনসমর্থন আদায় অন্যদিকে সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল নিচ্ছে।

মওদুদ আহমদ বলেন, ‘বিদেশের কূটনীতিকদেরকে আমরা ব্রিফ করছি, এখানে যারা আছেন। আর বিদেশে যারা বিশেষ করে ওয়াশিংটনে এবং ভারতের দিল্লীতে, চীন দেশে যেখানে আমাদের শুভাকাঙ্খীরা আছেন তারা চেষ্টা করছেন যারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদের বলার জন্য।’

Share Button

error: Content is protected !!