সোমবার, ১৯শে নভেম্বর, ২০১৮ ইং। ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১০:০৮








প্রচ্ছদ » ক্রাইম ওয়ার্ল্ড

দিনাজপুরে ১৮ মাস স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে আটকে রেখে ধর্ষণ করল পিতা !

ধর্ষণ একটি আতংকের নাম বর্মমান সমাজে। সারাদেশে ধর্ষনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে।ধর্ষণকে অপরাধই মনে হচ্ছে না লম্পটদের কাছে । লম্পটদের লালসার শিকার হচ্ছে দেশের হাজারো নারীও শিশু ।ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিজের মেয়েও। এমনি একটি ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটলো দিনাজপুরে । জানা গেছে

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে অপহরণের পর ১৮ মাস আটক রেখে এক ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে আকাশ চৌধুরী নামে এক সৎ পিতা।বুধবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকার মালিবাগ থেকে ধর্ষক সৎ পিতা আকাশকে আটক করেছে ফুলবাড়ী থানা পলিশ।
পুলিশ বলছে, আকাশ চৌধুরীর নিকট থাকা পাওয়া একটি জাতিয় পরিচয়পত্রে নাম আকাশ চৌধুরী পিতার নাম সেলিম চৌধুরী ও ঠিকানা বেতদিঘী ফুলবাড়ী দিনাজপুর লেখা থাকলেও, সেখানে এই নামে কেউ বসবাস করে না। তার নিকট থাকা পরিচয়পত্রটি ভূয়া হতে পারে। তার নামও ভূয়া হতে পারে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

ফুলবাড়ী থানার ওসি শেখ নাসিম হাবিব বলেন, উপজেলার গড়পিংলাই গ্রামের এক স্বামী পরিত্যাক্তার সাথে ঢাকায় গার্মেন্টস-ফ্যাক্টরিতে চাকরি করার সুবাদে পরিচয় হয় আকাশের। এরপর আকাশ নিজের পরিচয় গোপন রেখে তাকে বিয়ে করে সংসার শুরু করে, তাদের সংসারে একটি ছেলেও রয়েছে।

গার্মেন্টসের চাকরি ছেড়ে ওই মেয়ে তার গ্রামের বাড়ি ফুলবাড়ী উপজেলার চলে আসলে আকাশও তার সাথে এসে মেয়ের বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করে। ওই বাড়িতেই বসবাস করতো ওই নারীর পূর্বের স্বামীর ঘরে জন্ম নেয়া এক মেয়ে। আকাশ গত ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে তার স্ত্রীর আগের স্বামীর মেয়েকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যায়। বিভিন্ন জায়গায় আটক রেখে তাকে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় চলতি সনের ১ জুলাই ফুলবাড়ী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে ওই ছাত্রীর মা। এরই মধ্যে চলতি মাসের গত ১৪ তারিখে ওই ছাত্রী কৌশলে ঢাকা থেকে পালিয়ে আসলে, তাকে ফুলবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন থেকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত অপহৃতার দেয়া তথ্যমতে গত মঙ্গলবার ঢাকা মালিবাগ থেকে ধর্ষক সৎ পিতা আকাশকে আটক করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রহমান বলেন, অপহৃতার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঢাকা মালিবাগ থাানার পুলিশের সহায়তায় ধর্ষক আকাশকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত ধর্ষিতার মেডিকেল পরিক্ষা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার মেয়েটির মা বলেন, আকাশ একজন প্রতারক। সে কোন ধর্মের তার কোন ঠিক নাই, সে নিজেকে মুসলমান পরিচয় দিয়ে তাকে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর সে জানতে পারে আকাশ মুসলমান ছিল না তবুও সে তার সাথে ঘর সংসার করেছে। কিন্তু আকাশের মা তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছিল সে কারণে তিনি ঢাকায় চাকরি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন।তবে সে শেষপর্যন্ত আমার মেয়ের সাথে িএমন করবে তা ভাবতে পারিনি কোন দিন তার বিচার চাই ।

Share Button

error: Content is protected !!