বুধবার, ১৮ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং। ৫ই পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। রাত ১২:০২








‘লগি-বৈঠা নিয়ে প্রস্তুত থাকুন, ২৭ তারিখ ঘণ্টা বাজানো হবে’

গত আগষ্ট মাসে ইসি সচিব একাদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেন । সে থেকেই দেশের  রাজনীতিক দলগুলোর  মধ্যেই চলছে অন্য রকম এক উত্তেজনা। আর তাইত প্রত্যেক দলই তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে করে যাচ্ছে সমাবেশ আর বৈঠক। এমনি গতকাল এক আলোচনা সভা করেন নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

এসময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, সবাই এক থাকেন। যারা আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, তাদের সাথে রাজনৈতিক চর্চা তো দূরের কথা, কোনো আপোস নেই। ২৭ তারিখ (অক্টোবর) হলো ঘণ্টা বাজানোর মিটিং। সেদিন মা বইলা গো কওয়ার সুজোগ দিমুনা জামায়াত-বিএনপিকে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

ফতুল্লার নাসিম ওসমান মেমোরিয়াল পার্কে আগামী ২৭ অক্টোবর জনসভাকে সফল করার লক্ষ্যে শনিবার সন্ধ্যায় ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

শামীম ওসমান বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন এবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না আসলে আমাদের এক লাখ লোক মারা যাবে। কিন্তু আমি তোফায়েল ভাই ও কাদের ভাইয়ের সুরে কথা বলব না। আগামী ২৭ তারিখের পর তাদেরকে দেশে থাকতে দেব না। আগামী ২৭ অক্টোবর ঘণ্টা বাজানোর জনসভা হবে। এই জনসভার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের মানুষকে নয় সারাদেশের মানুষকে দেখিয়ে দিতে চাই। বিগত সময়ে নারায়ণগঞ্জের মানুষ লগি-বৈঠা নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিল। সেভাবে আবার জেগে উঠবে মানুষ। আবারও লগি-বৈঠা নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের মাটিতে রাজাকারদের বীজ বপন করতে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, নরসিংদীর জঙ্গিদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের জঙ্গিদের লিংক রয়েছে। কয়েক দিন আগে ফতুল্লায় গোপন বৈঠক থেকে নয়জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানতে পারলাম ওই গোপন বৈঠকে ২৫ জন জঙ্গি ছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই পালিয়ে গেছে। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সবাই সজাগ থাকবেন। নারায়ণগঞ্জে কোনো জঙ্গির ঘাঁটি হতে দেয়া হবে না।

শামীম ওসমান বলেন, আগামী দুই মাস কাউকে চিনি না, চিনতে চাই না। দুই মাসের আগে গণতন্ত্রের কথা চিন্তা করব না। দুই মাস পর গণতন্ত্রের চর্চার চিন্তা করব। এ সময়ের মধ্যে ঘণ্টা বাজাব। আমরা যার যার অবস্থানে থেকে ঘণ্টা বাজাতে চাই। তারা কোথায় কি করে চোখ কান খোলা রাখতে হবে।

এ সময় শামীম ওসমান আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলাবেন না। ভাববেন না আমরা মরলে আপনারা বেঁচে যাবেন। আমার এলাকায় ডুয়েল খেলা খেলতে দেয়া হবে না। সাবধান হয়ে যান। আর আমার দুলাভাই আওয়ামী লীগের বড় নেতা বলে পার পাবেন না। আগামী ৩০ তারিখের পর চোখের পর্দা থাকবে না। এটা আমাদের শেষ লড়াই হবে।আমি জয় ছাড়া কিছু চাই না অাপনার আমার পাশে সবসময় ছিলেন এবারও থাকবেন ইনশাআল্লাহ ।

Share Button

error: Content is protected !!